🔒 গোপনীয়তার সাথে যৌন রোগের ফ্রি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন: — WhatsApp:          🔒 গোপনীয়তার সাথে যৌন রোগের ফ্রি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন: — WhatsApp:         
বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার ইউনানি উপায়

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার উপায়: সম্পূর্ণ ইউনানি গাইড

লেখক: হেকিম সুলতান মাহমুদ

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত না হওয়া কী?

Table of Contents

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত না হওয়া হলো ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction বা ED), যেখানে যৌন সম্পর্কের জন্য পর্যাপ্ত ও দীর্ঘস্থায়ী ইরেকশন অর্জন বা বজায় রাখা সম্ভব হয় না

ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (ED) হলো পুরুষের লিঙ্গে পর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহের অভাবে উত্থান না হওয়ার অবস্থা।

Massachusetts Male Aging Study-এর তথ্য অনুযায়ী, ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে ৪০% ইরেক্টাইল ডিসফাংশনে ভোগেন এবং প্রতি দশ বছরে এই হার প্রায় ১০% বৃদ্ধি পায়।

ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্র এই সমস্যাকে ‘ضعف باہ (জোয়াফে বাহ)‘ বা যৌনশক্তির দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত করে এবং শরীরের ৪টি মৌলিক আখলাত বা তরলের ভারসাম্যহীনতাকে এর মূল কারণ বলে নির্ধারণ করে।

লিঙ্গ উত্থানের প্রক্রিয়ায় ৩টি মূল উপাদান কাজ করে: যৌন উদ্দীপনা, স্নায়বিক সংকেত এবং রক্তনালির সম্প্রসারণ। এই ৩টির যেকোনো একটিতে ব্যাঘাত ঘটলে লিঙ্গ শক্ত হয় না।

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত না হওয়ার কারণ কী কী?

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত না হওয়ার ৭টি প্রধান কারণ হলো: টেস্টোস্টেরন হ্রাস, রক্তনালির সংকীর্ণতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক চাপ, অতিরিক্ত ওজন এবং ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

শারীরিক কারণ

টেস্টোস্টেরন হ্রাস – ৪০ বছর বয়সের পর প্রতি বছর টেস্টোস্টেরন মাত্রা প্রায় ১–২% কমে। টেস্টোস্টেরন হলো পুরুষের প্রধান যৌন হরমোন, যা লিঙ্গ উত্থান, যৌন চাহিদা এবং শুক্রাণু উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে।

রক্তনালির সংকীর্ণতা (Atherosclerosis) — লিঙ্গে রক্ত সরবরাহকারী ধমনী সংকুচিত হলে ইরেকশন সম্ভব হয় না। ৪০-এর পর ধমনীর দেয়ালে চর্বি জমার হার বাড়ে।

ডায়াবেটিস — রক্তে অতিরিক্ত গ্লুকোজ লিঙ্গের স্নায়ু ও রক্তনালি উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। ডায়াবেটিক পুরুষদের মধ্যে ED-এর হার সাধারণ পুরুষদের তুলনায় ৩ গুণ বেশি।

উচ্চ রক্তচাপ (Hypertension) — উচ্চ রক্তচাপ রক্তনালির স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে এবং লিঙ্গে পর্যাপ্ত রক্তপ্রবাহে বাধা দেয়।

স্থূলতা — বডি মাস ইন্ডেক্স (BMI) ৩০-এর বেশি হলে টেস্টোস্টেরন রূপান্তরিত হয়ে ইস্ট্রোজেনে পরিণত হয়, যা যৌনশক্তি কমায়।

মানসিক কারণ

পারফরম্যান্স অ্যাংজাইটি — যৌন ব্যর্থতার ভয় থেকে তৈরি মানসিক চাপ নিজেই ED-এর কারণ হয়। এই অবস্থাকে ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে ‘وساوس (ওয়াসওয়াস)‘ বলে চিহ্নিত করা হয়।

বিষণ্নতা ও উদ্বেগ — মস্তিষ্কে সেরোটোনিন এবং ডোপামিনের ভারসাম্যহীনতা যৌন উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া কমিয়ে দেয়।

ওষুধজনিত কারণ

৫টি ধরনের ওষুধ ED তৈরি করে:

  • অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ (রক্তচাপের ওষুধ): বিটা-ব্লকার এবং ডায়ুরেটিক্স
  • অ্যান্টিডিপ্রেসান্ট: SSRIs যেমন সার্ট্রালিন ও ফ্লুওক্সেটিন
  • অ্যান্টিঅ্যান্ড্রোজেন: প্রোস্টেট চিকিৎসার ওষুধ
  • H2 ব্লকার: সিমেটিডিন
  • ওপিওয়েড ব্যথানাশক: মরফিন ও কোডেইন

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার ইউনানি পদ্ধতি কী কী?

ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার ৪টি প্রধান পদ্ধতি হলো: মুফরিদ (একক ভেষজ), মুরাক্কাব (যৌগিক ফর্মুলা), তাদবিরে বদনি (শারীরিক পুনর্গঠন) এবং তাদবিরে নাফসি (মানসিক চিকিৎসা)

মুফরিদ (একক ভেষজ) পদ্ধতি

ইবনে সিনার ‘আল-কানুন ফিত তিব’ গ্রন্থ অনুযায়ী, ৬টি একক ভেষজ লিঙ্গ উত্থানে সরাসরি কার্যকর:

১. সফেদ মুসলি (Chlorophytum borivilianum)

সফেদ মুসলি হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি ভেষজ উদ্ভিদ যার শিকড়ে স্যাপোনিন, পলিস্যাকারাইড এবং ২৫টি অ্যালকালয়েড পাওয়া যায়। এটি প্রতিদিন ৩ গ্রাম করে ২ বার দুধের সাথে সেবনে টেস্টোস্টেরন মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং শুক্রাণুর গতিশীলতা ৩২% উন্নত করে।

২. অশ্বগন্ধা (Withania somnifera)

অশ্বগন্ধা হলো একটি অ্যাডাপ্টোজেন ভেষজ যা কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) মাত্রা ২৭.৯% কমিয়ে টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। Indian Journal of Psychological Medicine-এর গবেষণায় দেখা গেছে, ৬০ দিন ৩০০ মিগ্রা আশওয়াগান্ধা সেবনে যৌনশক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে।

৩. শিলাজিত (Shilajit)

শিলাজিত হলো হিমালয় পর্বতমালা থেকে সংগ্রহ করা একটি প্রাকৃতিক রেজিনাস পদার্থ। এতে ফুলভিক অ্যাসিড, হিউমিক অ্যাসিড এবং ৮৪টি খনিজ পদার্থ আছে। Andrologia জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, ৯০ দিন ২৫০ মিগ্রা শিলাজিত সেবনে মোট টেস্টোস্টেরন ২০.৪৫% বৃদ্ধি পায়।

৪. কাউঞ্চ বীজ (Mucuna pruriens)

কাউঞ্চ বীজ হলো লেগুম পরিবারের একটি ভেষজ উদ্ভিদের বীজ। এতে L-DOPA (লেভোডোপা) থাকে, যা ডোপামিন রিসেপ্টর সক্রিয় করে এবং GH (গ্রোথ হরমোন) নিঃসরণ বাড়ায়। প্রতিদিন ৫ গ্রাম কাউঞ্চ বীজের চূর্ণ দুধের সাথে সেবনে লুটেইনাইজিং হরমোন (LH) বৃদ্ধি পায়, যা টেস্টিকেলকে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের সংকেত দেয়।

৫. জায়ফল (Myristica fragrans)

জায়ফল হলো Myristica fragrans গাছের বীজ। ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে এটিকে ‘جوز بواء (জওযে বুওয়া)‘ বলা হয়। এতে মাইরিস্টিসিন, ইলেমিসিন এবং ইউজেনল পাওয়া যায়। BMC Complementary Medicine গবেষণায় দেখা গেছে, জায়ফল রক্তে নাইট্রিক অক্সাইড বাড়িয়ে লিঙ্গের ক্যাভার্নাস টিস্যুতে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।

৬. তালমাখানা (Asteracantha longifolia)

তালমাখানা হলো একটি জলজ ভেষজ উদ্ভিদ। এর বীজে লুপিওল, বিটা-সিটোস্টেরল এবং স্টিগমাস্টেরল থাকে। প্রতিদিন ৩ গ্রাম তালমাখানা বীজের চূর্ণ শুক্রাণু গণনা ও গুণমান উন্নত করে এবং লিঙ্গীয় সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করে।

মুরাক্কাব (যৌগিক ফর্মুলা) পদ্ধতি

ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রের ৩টি ক্লাসিক যৌগিক ফর্মুলা লিঙ্গ শক্তিবর্ধনে ব্যবহৃত হয়:

১. মাজুন সালাব

মাজুন সালাব হলো সালাব মিসরি, আখরোট, ছোলার ছাতু এবং মধু দিয়ে তৈরি একটি ইউনানি যৌগিক প্রস্তুতি। প্রতিদিন সকালে ১৫ গ্রাম মাজুন সালাব দুধের সাথে সেবনে বীর্যের ঘনত্ব ও পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং ইরেকশনের স্থায়িত্ব বাড়ে।

২. মাজুন মুগাল্লিজ

মাজুন মুগাল্লিজ হলো আম্বার, জায়ফল, লবঙ্গ, দারচিনি এবং মধু দিয়ে তৈরি একটি উদ্দীপক যৌগিক ফর্মুলা। এটি লিঙ্গের স্নায়ু প্রান্তের সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং ইরেকশনের সময় বৃদ্ধি করে।

৩. কুশতা বিসমিল্লাহ

কুশতা বিসমিল্লাহ হলো সোনা, রূপা ও প্রবাল থেকে তৈরি একটি খনিজ ভিত্তিক ইউনানি প্রস্তুতি। একজন অভিজ্ঞ হেকিমের তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন ১২৫ মিগ্রা ডোজে এটি সেবন করলে টেস্টোস্টেরন সংশ্লেষণ ও শুক্রাণু উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার খাদ্যাভ্যাস কী হওয়া উচিত?

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার জন্য ৫টি খাদ্য গোষ্ঠী অপরিহার্য: জিংক-সমৃদ্ধ খাবার, নাইট্রিক অক্সাইড বর্ধক খাবার, ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার এবং টেস্টোস্টেরন বর্ধক খাবার

জিংক-সমৃদ্ধ খাবার

জিংক হলো টেস্টোস্টেরন সংশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য খনিজ। ৪০-এর পর প্রতিদিন ১১ মিগ্রা জিংক প্রয়োজন। জিংকের ৪টি সেরা উৎস হলো:

  • কুমড়ার বীজ: প্রতি ২৮ গ্রামে ২.৫ মিগ্রা জিংক
  • তিলের বীজ: প্রতি ২৮ গ্রামে ২.৮ মিগ্রা জিংক
  • গরুর মাংস: প্রতি ১০০ গ্রামে ৪.৮ মিগ্রা জিংক
  • ছোলা: প্রতি ১০০ গ্রামে ১.৫ মিগ্রা জিংক

নাইট্রিক অক্সাইড বর্ধক খাবার

নাইট্রিক অক্সাইড হলো লিঙ্গের মসৃণ পেশি শিথিল করার রাসায়নিক সংকেত, যা রক্তনালি প্রসারিত করে ইরেকশন তৈরি করে। ৩টি খাবার নাইট্রিক অক্সাইড সরাসরি বৃদ্ধি করে:

  • বিট: বিটালেইন ও নাইট্রেট সমৃদ্ধ, যা দেহে নাইট্রিক অক্সাইডে রূপান্তরিত হয়
  • পালংশাক: ফোলেট ও নাইট্রেটের সমৃদ্ধ উৎস
  • ডার্ক চকোলেট (৭০%+ কোকো): ফ্ল্যাভোনয়েড রক্তনালির প্রাচীর শিথিল করে

টেস্টোস্টেরন বর্ধক খাবার

৩টি খাবার সরাসরি টেস্টোস্টেরন উৎপাদন বাড়ায়:

  • ডিমের কুসুম: কোলেস্টেরল টেস্টোস্টেরনের প্রাথমিক কাঁচামাল
  • টুনা মাছ: ভিটামিন ডি টেস্টোস্টেরন সংশ্লেষণে সহায়তা করে
  • রসুন: অ্যালিসিন কর্টিসল কমিয়ে টেস্টোস্টেরনের জন্য রিসেপ্টর মুক্ত করে

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার ব্যায়াম কী কী?

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার ৩টি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ব্যায়াম হলো: কেগেল ব্যায়াম, অ্যারোবিক ব্যায়াম এবং পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম

কেগেল ব্যায়াম

কেগেল ব্যায়াম হলো পেলভিক ফ্লোর পেশির সংকোচন-প্রসারণ প্রক্রিয়া, যা পিউবোকক্সিজিয়াস (PC) পেশি শক্তিশালী করে। British Journal of General Practice-এর গবেষণায় দেখা গেছে, ৩ মাস নিয়মিত কেগেল করলে ED আক্রান্ত ৪০% পুরুষ স্বাভাবিক ইরেকশন ফিরে পান।

পদ্ধতি: প্রতিদিন ৩ বারে ১৫টি করে মোট ৪৫টি কেগেল করতে হয়। প্রতিটি সংকোচন ৫ সেকেন্ড ধরে রাখতে হয় এবং ৫ সেকেন্ড শিথিল রাখতে হয়।

অ্যারোবিক ব্যায়াম

অ্যারোবিক ব্যায়াম হলো হৃদস্পন্দন বৃদ্ধিকারী শারীরিক কার্যকলাপ, যেমন হাঁটা, সাইক্লিং ও সাঁতার। Journal of Sexual Medicine গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে ১৬০ মিনিট মাঝারি তীব্রতার অ্যারোবিক ব্যায়াম ED-এর ঝুঁকি ৩০% কমায়।

পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম

পেলভিক ফ্লোর ব্যায়াম হলো তলপেটের নিচের পেশি গোষ্ঠীর শক্তিবৃদ্ধির ব্যায়াম। এই ব্যায়াম পুডেন্ডাল ধমনীতে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়, যা লিঙ্গে রক্ত সরবরাহ করে।

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার জীবনযাত্রার পরিবর্তন কী কী দরকার?

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করার জন্য ৫টি জীবনযাত্রার পরিবর্তন অপরিহার্য: ধূমপান বন্ধ, মদ্যপান সীমিত, ঘুম নিশ্চিত, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা

ধূমপান বন্ধ — সিগারেটের নিকোটিন ও কার্বন মনোক্সাইড লিঙ্গের ক্যাভার্নাস ধমনী সংকুচিত করে। ধূমপায়ীদের ED-এর ঝুঁকি অধূমপায়ীদের তুলনায় ২ গুণ বেশি।

ঘুম নিশ্চিত করা — প্রতি রাতে ৭–৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম টেস্টোস্টেরন উৎপাদনের ৭০% নিশ্চিত করে। ঘুমের অভাবে ১ সপ্তাহে টেস্টোস্টেরন ১৫% কমে যায়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ — শরীরের ওজনের ১০% কমালে টেস্টোস্টেরন মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ED-এর উপসর্গ কমে।

মানসিক চাপ ব্যবস্থাপনা — দৈনিক ২০ মিনিট ধ্যান অনুশীলন কর্টিসল মাত্রা কমায়। ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে এই পদ্ধতিকে ‘তাদবিরে নাফসি‘ বলা হয়।

ইউনানি ভেষজ ব্যবহারে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?

ইউনানি ভেষজ সঠিক মাত্রায় সেবন না করলে ৫টি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়: পেটের সমস্যা, অ্যালার্জি, রক্তচাপ পরিবর্তন, ঘুমের সমস্যা এবং ওষুধের সাথে মিথস্ক্রিয়া

পেটের সমস্যা — অতিরিক্ত মাত্রায় আশওয়াগান্ধা বা কাউঞ্চ বীজ সেবনে বমি বমি ভাব, ডায়ারিয়া এবং পেটে ব্যথা হয়।

অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া — শিলাজিতে ভারী ধাতু থাকতে পারে, যা সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ত্বকে র‍্যাশ তৈরি করে।

রক্তচাপ পরিবর্তন — সফেদ মুসলি অতিরিক্ত পরিমাণে সেবনে রক্তচাপ কমে যায়, যা ইতিমধ্যে রক্তচাপের ওষুধ সেবনকারীদের জন্য বিপজ্জনক।

ঘুমের সমস্যা — অশ্বগন্ধা কিছু ব্যক্তিতে অতিরিক্ত শক্তি উদ্দীপনা তৈরি করে, যা রাতে ঘুমে বাধা দেয়।

ওষুধ মিথস্ক্রিয়া — কিছু ইউনানি ভেষজ রক্ত পাতলাকারী ওষুধ (ওয়ারফারিন), ডায়াবেটিসের ওষুধ এবং অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধের সাথে মিথস্ক্রিয়া ঘটায়।

ইউনানি চিকিৎসায় লিঙ্গ শক্তিবর্ধনে কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?

ইউনানি চিকিৎসায় লিঙ্গ শক্তিবর্ধনে ৬টি বিষয়ে সতর্ক থাকা বাধ্যতামূলক: মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হেকিমের পরামর্শ, ভেজাল পণ্য এড়ানো, সহব্যাধির নজর রাখা, ধৈর্য ধরা এবং বাজারের অনিয়ন্ত্রিত পণ্য এড়ানো

  • মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: প্রতিটি ভেষজের নির্ধারিত মাত্রার ৩ গুণের বেশি সেবন বিষক্রিয়া তৈরি করতে পারে
  • হেকিমের পরামর্শ: কুশতা জাতীয় খনিজ প্রস্তুতি অভিজ্ঞ হেকিম ছাড়া সেবন করা নিষিদ্ধ
  • ভেজাল পণ্য এড়ানো: বাজারের অনেক ‘হার্বাল’ পণ্যে অপ্রকাশিত সিলডেনাফিল (ভায়াগ্রার সক্রিয় উপাদান) মেশানো থাকে
  • সহব্যাধির নজর: ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা কিডনি সমস্যা থাকলে ভেষজ শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক
  • ধৈর্য ধরা: ইউনানি ভেষজ সাধারণত ৩–৬ সপ্তাহ নিয়মিত সেবনের পর কার্যকর হয়
  • কুশতা বিসমিল্লাহ: শুধুমাত্র নিবন্ধিত হেকিমের প্রেসক্রিপশনে সেবনযোগ্য

উপসংহার

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত না হওয়া একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। সঠিক ইউনানি ভেষজ, সুষম খাদ্যাভ্যাস, কেগেল ব্যায়াম ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন একসাথে প্রয়োগ করলে ৩ মাসে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব হেকিম সুলতান মাহমুদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও সালিহাত ফুডের প্রামাণিক ইউনানি পণ্য ব্যবহার করে চিকিৎসা শুরু করুন। আজই সালিহাত ফুডের যৌনস্বাস্থ্য বিভাগ পরিদর্শন করুন এবং আপনার অবস্থার জন্য উপযুক্ত ইউনানি সমাধান খুঁজে নিন।

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ শক্ত করা নিয়ে প্রশ্নোত্তর

বয়স ৪০-এর পরে লিঙ্গ একেবারেই শক্ত না হলে কী করবেন?

সম্পূর্ণ ইরেকটাইল ডিসফাংশনের ক্ষেত্রে প্রথমে একজন ইউরোলজিস্ট ও অভিজ্ঞ হেকিমের সাথে পরামর্শ নিতে হবে টেস্টোস্টেরন, রক্তচাপ ও ব্লাড সুগার পরীক্ষা করে মূল কারণ নির্ধারণের পর চিকিৎসা শুরু করতে হয়

ইউনানি চিকিৎসায় লিঙ্গ শক্ত হতে কতদিন সময় লাগে?

ইউনানি ভেষজ চিকিৎসায় সাধারণত ৩–৬ সপ্তাহে প্রথম পরিবর্তন অনুভূত হয় সম্পূর্ণ ফলাফলের জন্য ৩ মাস একটানা চিকিৎসা প্রয়োজন কারণ ভেদে এই সময় ৬ মাস পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে

বয়স ৪০-এর পরে টেস্টোস্টেরন কমলে কোন লক্ষণ দেখা দেয়?

টেস্টোস্টেরন কমলে ৬টি লক্ষণ প্রকাশ পায়: যৌন চাহিদা হ্রাস, ইরেকশনের দুর্বলতা, ক্লান্তি, বিষণ্নতা, পেশি হ্রাস এবং পেটে চর্বি বৃদ্ধি

কোন খাবার লিঙ্গ শক্তিবর্ধনে দ্রুততম ফলাফল দেয়?

বিট, পালংশাক, কুমড়ার বীজ এবং রসুন — এই ৪টি খাবার নিয়মিত সেবনে ২–৩ সপ্তাহে নাইট্রিক অক্সাইড মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা লিঙ্গে রক্তপ্রবাহ উন্নত করে

মানসিক চাপ কি লিঙ্গ শক্তিকে প্রভাবিত করে?

মানসিক চাপ সরাসরি কর্টিসল বৃদ্ধি করে, যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদন ব্যাহত করে দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগ লিঙ্গের স্নায়বিক সংকেতও দুর্বল করে ইউনানি চিকিৎসায় তাদবিরে নাফসি এই সমস্যার সমাধান করে

শিলাজিত ও আশওয়াগান্ধা কি একসাথে সেবন করা নিরাপদ?

শিলাজিত ও আশওয়াগান্ধা একসাথে সেবন নিরাপদ, তবে উভয়ের মাত্রা অর্ধেক করতে হয় শিলাজিত ২৫০ মিগ্রা এবং আশওয়াগান্ধা ৩০০ মিগ্রা  এই ডোজ একজন হেকিমের পরামর্শে নেওয়া উচিত

ডায়াবেটিস থাকলে ইউনানি ভেষজ ব্যবহার করা যাবে কি?

ডায়াবেটিস থাকলে কিছু ইউনানি ভেষজ রক্তের গ্লুকোজ কমায়, তাই ডায়াবেটিসের ওষুধের মাত্রা সমন্বয় প্রয়োজন হয় সফেদ মুসলি, মেথি এবং জামুন বীজ ডায়াবেটিক ED-এ বিশেষভাবে কার্যকর

Shopping Cart
Scroll to Top