ইরেকটাইল ডিসফাংশন (Erectile Dysfunction) হলো পুরুষের যৌন উত্তেজনার সময় লিঙ্গ পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্ত না হওয়া বা শক্ত অবস্থা ধরে রাখতে না পারার শারীরিক অবস্থা। বাংলাদেশে এই সমস্যাকে ধ্বজভঙ্গ বলা হয়।
ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে ইরেকটাইল ডিসফাংশনকে ‘ইস্তির খাই’ বা ‘দ্বুফ-ই-বাহ’ বলা হয়, যার অর্থ যৌনশক্তির দুর্বলতা।
বাংলাদেশে প্রায় ৬০% পুরুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এই সমস্যায় আক্রান্ত হন। WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী ৩২ কোটি পুরুষ ইরেকটাইল ডিসফাংশনে ভোগেন।
ইরেকটাইল ডিসফাংশনের কারণ কী কী?
Table of Contents
Toggleইরেকটাইল ডিসফাংশনের ৬টি প্রধান কারণ হলো: রক্তসঞ্চালনের দুর্বলতা, স্নায়বিক সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ, ডায়াবেটিস এবং অতিরিক্ত হস্তমৈথুনজনিত স্নায়ু দুর্বলতা।
শারীরিক কারণ (৪টি)
- রক্তসঞ্চালনের দুর্বলতা — লিঙ্গে পর্যাপ্ত রক্ত প্রবাহ না হলে ইরেকশন সম্ভব হয় না। উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ এই সমস্যা তৈরি করে।
- টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি — পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিকের (৩০০–১০০০ ng/dL) নিচে নামলে যৌনশক্তি হ্রাস পায়।
- ডায়াবেটিস — উচ্চ রক্তশর্করা স্নায়ু ও রক্তনালি উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত করে, যা ইরেকটাইল ডিসফাংশন ঘটায়।
- স্থূলতা (BMI > ৩০) — অতিরিক্ত ওজন টেস্টোস্টেরন উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং রক্তসঞ্চালনে বাধা দেয়।
মানসিক কারণ (২টি)
- দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ ও উদ্বেগ — কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়লে যৌন উত্তেজনা প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।
- আত্মবিশ্বাসের অভাব — অতীতের ব্যর্থতার ভয় পরবর্তী মিলনেও ইরেকশন রোধ করে।
ইরেকটাইল ডিসফাংশনের লক্ষণ কী কী?
ইরেকটাইল ডিসফাংশনের ৫টি প্রধান লক্ষণ হলো: লিঙ্গ শক্ত না হওয়া, মাঝপথে নরম হয়ে যাওয়া, যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া, দ্রুত বীর্যপাত এবং সম্পর্কে মানসিক দূরত্ব তৈরি হওয়া।
- লিঙ্গ পর্যাপ্ত শক্ত না হওয়া — যৌন উত্তেজনার সময় লিঙ্গে পূর্ণ ইরেকশন না আসা।
- মাঝপথে লিঙ্গ নরম হয়ে যাওয়া — সহবাস শুরু হলেও মাঝে হঠাৎ লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়া।
- যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস পাওয়া — যৌনমিলনে আগ্রহ কমে যাওয়া বা অনুপস্থিত থাকা।
- দ্রুত বীর্যপাত — সহবাস শুরুর ২ মিনিটের মধ্যে বীর্যপাত হওয়া।
- রাতে ইরেকশন না হওয়া — সুস্থ পুরুষের ঘুমের সময় ৩–৫ বার স্বতঃস্ফূর্ত ইরেকশন হয়, যা অনুপস্থিত থাকা।
ইরেকটাইল ডিসফাংশনের ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ কী কী?
ইরেকটাইল ডিসফাংশনের চিকিৎসায় ৪টি কার্যকর ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক ঔষধ হলো: শাহি মাজুন মুগাল্লিজ, অশ্বগন্ধা প্লাস বটিকা, শিলাজিত গোল্ড বটিকা এবং বিগ পেনিস 3XL অয়েল।
১. শাহি মাজুন মুগাল্লিজ (Royal Unani Herbal Formulation)

শাহি মাজুন মুগাল্লিজ হলো একটি Royal Unani Herbal Formulation, যা ২৫০ গ্রাম পরিমাণে পাওয়া যায়। ইবনে সিনার ‘কিতাবুল কানুন ফিত তিব’ গ্রন্থে উল্লিখিত মুগাল্লিজ ফর্মুলেশনের আধুনিক রূপ এটি। এই মাজুন যৌনশক্তি বৃদ্ধি, শুক্রাণু উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে।
শাহি মাজুন মুগাল্লিজের উপাদান শোধন (প্রধান ১২টি উপাদান)
শাহি মাজুন মুগাল্লিজে ৫০টিরও বেশি প্রাকৃতিক ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক উপাদান ব্যবহৃত হয়। নিচে শোধিত প্রধান ১২টি উপাদানের তালিকা দেওয়া হলো:
- আলকুশী (Mucuna pruriens) — শোধন: গরম দুধে ভিজিয়ে শুকানো। যৌনশক্তি বৃদ্ধি ও টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে কার্যকর। যা লিঙ্গ শক্ত করার আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিসেবে সুপরিচিত।
- অশ্বগন্ধা (Withania somnifera) — শোধন: গোদুগ্ধে (গরুর দুধে) সিদ্ধ করে শুকানো। স্নায়ু শক্তিবর্ধক ও অ্যাডাপ্টোজেনিক।
- শিলাজুত (Shilajit) — শোধন: ত্রিফলা কাড়ায় গলিয়ে পরিশোধন করা। টেস্টোস্টেরন ও শুক্রাণু বৃদ্ধিতে কার্যকর।
- গোক্ষুর কাঁটা (Tribulus terrestris) — শোধন: পরিষ্কার জলে ধুয়ে রোদে শুকানো। শক্তি বর্ধক হিসেবে সুপরিচিত।
- সালাম মিশ্রী (Salep) — শোধন: ঠান্ডা জলে ভিজিয়ে পরিষ্কার করা। শুক্রাণু উৎপাদন ও যৌন স্ট্যামিনা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- সফেদ মুসলী (Chlorophytum borivilianum) — শোধন: দুধে সিদ্ধ করে শুকানো। বীর্য ঘন করে ও যৌন দুর্বলতা কমায়।
- জায়ফল (Myristica fragrans) — শোধন: চুনের পানিতে ভিজিয়ে শুকানো। যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি ও স্নায়ু শক্তিবর্ধক।
- আকরকরা (Anacyclus pyrethrum) — শোধন: গোলাপজলে ধুয়ে পরিষ্কার করা। রক্তসঞ্চালন উন্নত করে ও লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ায়।
- তালমাখনা (Hygrophila auriculata) — শোধন: পরিষ্কার জলে ধুয়ে শুকানো। শুক্রাণু বৃদ্ধি ও বীর্য ঘন করতে কার্যকর।
- বীর্যমণি / যৌত্রিক (Myristica malabarica) — শোধন: চুনের পানিতে পরিশোধন। যৌনশক্তি বর্ধক ও পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ।
- রুমি মস্তকী (Pistacia lentiscus) — শোধন: সরাসরি ব্যবহারযোগ্য। শুক্রাণুর গুণমান উন্নয়ন ও প্রজনন স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক।
- কাতিলা গাম ও বাবলা আঠা — শোধন: পরিষ্কার জলে দ্রবীভূত করে ছেঁকে নেওয়া। মাজুনের বাইন্ডিং উপাদান হিসেবে কাজ করে।
এছাড়াও এই মাজুনে রয়েছে: পিপুল মরিচ, গোল মরিচ, সংখমণি, শতমূল, পঞ্চভূত, হস্তী কর্ণ পলাশ, মোকদ্দাস, অনন্তমূল, কৃষ্ণদানা, বেনামূল, সোনাভস্ম, তালমূল, জেষ্ঠী মধু, আদা শুট, বেরেলা, ইসুবগুল, শিমুল মুল, তেতুল বিচি, জৈন, জিরা, এলাচ, মৌরী, ঘি, গুড়া দুধ, সোনাপাতা, চিনা বাদাম, খোরমা খেজুর, মধু, দার চিনি, বিধারা মূল, কাঠবাদাম, কিশমিশ, লতা কস্তুরী ও সর্পগন্ধা।
তৈরির সম্পূর্ণ নিয়ম জানতে পড়ুন: মাহুন মুগাল্লিজ তৈরির ইউনানি রেসিপি — উপাদান, পরিমাণ ও প্রস্তুত প্রণালী
২. অশ্বগন্ধা প্লাস বটিকা

অশ্বগন্ধা প্লাস বটিকা হলো Withania somnifera (অশ্বগন্ধা) মূলের নির্যাস থেকে তৈরি আয়ুর্বেদিক বটিকা। ১৫ ও ৩০ ক্যাপসুলের প্যাকে পাওয়া যায়। Journal of Sexual Medicine (২০১৬)-এর গবেষণা অনুযায়ী, অশ্বগন্ধা সেবনে ৪০% পুরুষের যৌন কার্যকারিতা উন্নত হয়। এই বটিকা শক্তি বৃদ্ধি, স্ট্যামিনা উন্নয়ন, টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি এবং সহনশীলতা বাড়াতে কার্যকর।
৩. শিলাজিত গোল্ড বটিকা (Testosterone Booster)

শিলাজিত গোল্ড বটিকা হলো Halal-সার্টিফাইড একটি Testosterone Booster, যা ৩০টি বটিকার প্যাকে আসে। শিলাজিত হলো হিমালয়ের শিলা থেকে নিঃসৃত একটি খনিজ-জৈব যৌগ (Fulvic Acid ও Humic Acid সমৃদ্ধ)। Andrologia জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, শিলাজিত সেবনে ২৩.৫% টেস্টোস্টেরন মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এটি শক্তি, পারফরমেন্স ও শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।
৪. বিগ পেনিস 3XL Penis Enlargement Oil

বিগ পেনিস 3XL হলো ৫০ মিলিলিটার খাঁটি আয়ুর্বেদিক তেল, যা বাহ্যিকভাবে ব্যবহার করা হয়। এটি লিঙ্গে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি, স্নায়ু সক্রিয়করণ এবং দৃঢ়তা উন্নয়নে কার্যকর।
ইরেকটাইল ডিসফাংশনের জন্য পাওয়ার কম্বো প্যাক কীভাবে কাজ করে?
পাওয়ার কম্বো প্যাক ৪টি পণ্যের সমন্বয়ে তৈরি: শাহি মাজুন মুগাল্লিজ যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে, অশ্বগন্ধা প্লাস টেস্টোস্টেরন বাড়ায়, শিলাজিত গোল্ড শক্তি ও স্ট্যামিনা দেয় এবং বিগ পেনিস অয়েল রক্তসঞ্চালন উন্নত করে।
এই ৪টি পণ্য একসাথে ব্যবহারে ৩টি স্তরে কাজ হয়:
- হরমোন স্তর — শিলাজিত গোল্ড ও অশ্বগন্ধা টেস্টোস্টেরন উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
- রক্তসঞ্চালন স্তর — শাহি মাজুন ও বিগ পেনিস অয়েল লিঙ্গে রক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করে।
- স্নায়ু স্তর — অশ্বগন্ধার অ্যাডাপ্টোজেনিক গুণ মানসিক চাপ কমিয়ে স্নায়বিক কার্যকারিতা উন্নত করে।
ইউনানি ঔষধগুলো কীভাবে ব্যবহার করবেন?
শাহি মাজুন মুগাল্লিজ সকাল ও রাতে ১ চামচ দুধের সাথে সেবন করতে হয়। অশ্বগন্ধা প্লাস ও শিলাজিত গোল্ড রাতে ঘুমানোর আগে দুধের সাথে ১টি করে বটিকা খেতে হয়। বিগ পেনিস অয়েল রাতে ব্যবহার করতে হয়।
শাহি মাজুন মুগাল্লিজ সেবনবিধি
- সকালে নাশতার ৩০ মিনিট পরে ১ চামচ (৫ গ্রাম) গরম দুধের সাথে মিশিয়ে সেবন করুন।
- রাতে ঘুমানোর ১ ঘণ্টা আগে ১ চামচ গরম দুধের সাথে সেবন করুন।
- টানা ৩ মাস সেবন করলে পূর্ণ ফলাফল পাওয়া যায়।
অশ্বগন্ধা প্লাস ও শিলাজিত গোল্ড সেবনবিধি
- রাতে ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে ১টি অশ্বগন্ধা প্লাস বটিকা সেবন করুন।
- একই সময়ে ১টি শিলাজিত গোল্ড বটিকা গরম দুধের সাথে সেবন করুন।
- সকালে খালি পেটে পানি পান করুন কমপক্ষে ২ গ্লাস।
বিগ পেনিস 3XL অয়েল ব্যবহারবিধি
- রাতে ঘুমানোর আগে ৫–৭ ফোঁটা তেল হাতের তালুতে নিন।
- লিঙ্গের গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত ৫–১০ মিনিট মৃদু চাপে মালিশ করুন।
- মালিশের পর ৩০ মিনিট ধুবেন না।
এই ইউনানি ঔষধগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?
নির্ধারিত মাত্রায় সেবনে এই ৪টি ঔষধের কোনো উল্লেখযোগ্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। তবে অতিরিক্ত মাত্রায় অশ্বগন্ধা গ্রহণে পেট গরম হওয়া এবং শিলাজিত অতিরিক্ত সেবনে মাথাব্যথা দেখা দিতে পারে।
অতিরিক্ত মাত্রায় সেবনে ৩টি সম্ভাব্য সমস্যা দেখা দিতে পারে:
- পেট গরম অনুভব হওয়া — অতিরিক্ত অশ্বগন্ধা সেবনে কিছু ব্যক্তির পেটে উত্তাপ অনুভব হয়।
- মাথাব্যথা — শিলাজিত অতিরিক্ত সেবনে রক্তচাপ সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
- ত্বক জ্বালা — বিগ পেনিস অয়েল সংবেদনশীল ত্বকে অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে।
ইউনানি ঔষধ সেবনে কোন বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?
ডায়াবেটিস রোগীরা মাজুন ব্যবহারের আগে রক্তশর্করা পরীক্ষা করবেন। থাইরয়েড রোগীরা অশ্বগন্ধা সেবনে সতর্ক থাকবেন। ১৮ বছরের কম বয়সীরা এই পণ্যগুলো ব্যবহার করবেন না।
- ডায়াবেটিস রোগীরা শাহি মাজুন সেবনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
- থাইরয়েড হরমোনের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা অশ্বগন্ধা সতর্কতার সাথে ব্যবহার করুন।
- উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা শিলাজিত সেবন শুরুর আগে রক্তচাপ পরিমাপ করুন।
- ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিরা এই পণ্যগুলো ব্যবহার করবেন না।
- কোনো অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ওষুধ সেবনরত অবস্থায় শিলাজিত এড়িয়ে চলুন।
প্রশ্নোত্তর
ইরেকটাইল ডিসফাংশন কি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য?
হ্যাঁ, ৭০% ক্ষেত্রে ইরেকটাইল ডিসফাংশন সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। মানসিক কারণে সৃষ্ট সমস্যা ৩–৬ মাসের চিকিৎসায় এবং শারীরিক কারণে সৃষ্ট সমস্যা ৬–১২ মাসের নিয়মিত ইউনানি চিকিৎসায় সারে।
শিলাজিত গোল্ড ও অশ্বগন্ধা একসাথে সেবন করা কি নিরাপদ?
হ্যাঁ, শিলাজিত ও অশ্বগন্ধা একসাথে সেবন নিরাপদ এবং কার্যকর। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাশাস্ত্রে এই দুটি উপাদান ‘শ্রেষ্ঠ রসায়ন জুটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ফলাফল পেতে কত দিন লাগে?
পাওয়ার কম্বো প্যাক নিয়মিত ব্যবহারে ১৫ দিনের মধ্যে শক্তি বৃদ্ধির পরিবর্তন অনুভব হয়। ৩০ দিনে লিঙ্গের দৃঢ়তায় উন্নতি দেখা দেয়। পূর্ণ ফলাফলের জন্য ৯০ দিন নিয়মিত ব্যবহার করতে হয়।
হস্তমৈথুনের কারণে ইরেকটাইল ডিসফাংশন হলে কি ইউনানি ঔষধ কাজ করে?
হ্যাঁ, হস্তমৈথুনজনিত স্নায়ু দুর্বলতায় অশ্বগন্ধা প্লাস ও শাহি মাজুন মুগাল্লিজ সবচেয়ে কার্যকর। অশ্বগন্ধার উইথানোলাইড স্নায়ু কোষ পুনর্গঠন করে এবং মাজুন শুক্রাণু ও যৌনশক্তি পুনরুদ্ধার করে।
ডায়াবেটিস রোগী কি এই ঔষধ সেবন করতে পারবেন?
ডায়াবেটিস রোগীরা শিলাজিত গোল্ড ও অশ্বগন্ধা প্লাস সেবন করতে পারবেন। তবে শাহি মাজুন সেবনের আগে রক্তশর্করার মাত্রা পরীক্ষা করে হেকিমের পরামর্শ নিতে হবে।
এই পণ্যগুলো কোথায় পাওয়া যায়?
সালিহাত ফুডের ওয়েবসাইট salihatfood.com থেকে অনলাইনে অর্ডার করা যায়। সরাসরি WhatsApp-এ ০১৯১০-৪৮৫৩৬৭ নম্বরে যোগাযোগ করে হেকিম সুলতান মাহমুদের কাছ থেকে পরামর্শসহ পণ্য সংগ্রহ করা যায়।
উপসংহার
ইরেকটাইল ডিসফাংশন একটি চিকিৎসাযোগ্য সমস্যা। শাহি মাজুন মুগাল্লিজ, অশ্বগন্ধা প্লাস বটিকা, শিলাজিত গোল্ড বটিকা এবং বিগ পেনিস 3XL অয়েলের সমন্বয়ে তৈরি পাওয়ার কম্বো প্যাক তিনটি স্তরে হরমোন, রক্তসঞ্চালন ও স্নায়ু — একসাথে কাজ করে। নিয়মিত ৯০ দিন ব্যবহারে পূর্ণ ফলাফল পাওয়া যায়।
বিনামূল্যে পরামর্শের জন্য হেকিম সুলতান মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করুন:
📱 WhatsApp: ০১৯১০-৪৮৫৩৬৭
